+88 01684-454505
দ্বীপের আয়তন
৩.৩ বর্গ কিমি (দৈর্ঘ্য ৮ কিমি)
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ
অবস্থান
বঙ্গোপসাগর
টেকনাফ থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে
অধিবাসী
প্রায় ৭,০০০ জন
অতিথিপরায়ণ সমুদ্রচারী মানুষ
পরিবেশ
জীবন্ত প্রবাল প্রাচীর
ছেঁড়াদ্বীপ সহ অনন্য রূপ
ভ্রমণের সেরা সময়
নভেম্বর – মার্চ
শান্ত সাগর ও রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ
প্রাকৃতিক স্বর্গ

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ: বাংলাদেশের একমাত্র জীবন্ত প্রবাল স্বর্গ

বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশির বুকে এক টুকরো পান্না দ্বীপ—সেন্ট মার্টিন (স্থানীয়দের প্রিয় নারিকেল জিঞ্জিরা)। মাত্র ৩.৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শান্ত-স্নিগ্ধ দ্বীপটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, উপকূলীয় নির্মল জীবনযাত্রা ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মিলনমেলা।

Traditional wooden fishing boat resting on the white sand beach of Saint Martin under coconut palms
নারিকেল গাছের ছায়ায় সেন্ট মার্টিনের সাদা প্রবাল বালুকাবেলায় রাখা ঐতিহ্যবাহী কাঠের সাম্পান।উপকূলীয় প্রশান্তি

নারিকেল কুঞ্জ, প্রবাল প্রাচীর ও দিগন্তবিস্তৃত নীলের সমাহার

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কর্দমাক্ত ম্যানগ্রোভ মোহনা থেকে সেন্ট মার্টিন সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে স্ফটিকস্বচ্ছ ফিরোজা জলরাশি আছড়ে পড়ে প্রাচীন জীবাশ্ম ও প্রবাল পাথরে গড়া সৈকতে, যার চারপাশ ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে হাজার হাজার হেলে পড়া নারিকেল গাছ, যা সমুদ্রের নোনা হাওয়ায় সারাক্ষণ কথা বলে চলে।

দ্বীপটি দেখতে অনেকটা ডাম্বেল আকৃতির, দৈর্ঘ্যে প্রায় ৭.৩ কিমি এবং মাঝের সংকীর্ণ অংশ—যা 'গলাচিপা' নামে পরিচিত—মাত্র ১০০ মিটার চওড়া। এই দ্বীপে পা রাখা মানে ঘড়ির কাঁটার হিসাব ভুলে জোয়ার-ভাটা আর রক্তিম সূর্যাস্তের ছন্দে শান্ত এক কাব্যিক জীবনে প্রবেশ করা।

ঐতিহাসিক কালক্রম

আরব নাবিক থেকে সেন্ট মার্টিন: ২৫০ বছরের নৌযাত্রার ঐতিহ্য

Traditional wooden Moon Boat trawler flying the Bangladesh national flag on the Bay of Bengal
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ওড়ানো ঐতিহ্যবাহী চাঁদের নৌকা, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সামুদ্রিক ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করছে।সামুদ্রিক ঐতিহ্য

অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আরব বণিকেরা যখন পারস্য উপসাগর, চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য করতেন, তখন কালবৈশাখী ও সামুদ্রিক ঝড় থেকে বাঁচতে এই দ্বীপে আশ্রয় নিতেন। তারা এই দ্বীপের নাম দিয়েছিলেন 'জাজিরা' (আরবিতে যার অর্থ দ্বীপ)।

পরবর্তীতে ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ভারতের জরিপকালে চট্টগ্রামের তৎকালীন ডেপুটি কমিশনার মি. মার্টিনের নামানুসারে দ্বীপটির আনুষ্ঠানিক নাম রাখা হয় 'সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপ'।

তবে স্থানীয় বাঙালির হৃদয়ে দ্বীপটির আদি ও শাশ্বত নাম 'নারিকেল জিঞ্জিরা'। লোকগাথা অনুযায়ী, টেকনাফ ও রাখাইন অঞ্চলের আদি বসতি স্থাপনকারীরা খাবার পানির অভাব দূর করতে ও বালির বাঁধন শক্ত করতে এখানে হাজার হাজার নারিকেল চারা রোপণ করেছিলেন, যা আজ সবুজ চাদরে রূপ নিয়েছে।

“সেন্ট মার্টিন শুধুই একটি ভৌগোলিক সীমানা নয়; এটি বাংলার সমুদ্র প্রহরী, যেখানে শতাব্দীর সামুদ্রিক ঐতিহ্য প্রতিটি ঢেউয়ের সাথে কথা বলে।”

— উপকূলীয় ভূগোল ও সামুদ্রিক ইতিহাস
ভ্রমণ নির্দেশিকা

কীভাবে যাবেন সেন্ট মার্টিন: নাফ নদী ও সাগরের রোমাঞ্চকর নৌযাত্রা

সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ মানেই এক অনন্য রোমাঞ্চ। সড়কপথে অপরূপ দৃশ্য দেখতে দেখতে নাফ নদীর মোহনা পেরিয়ে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগরের নীল জলে ভেসে চলা—এই দুইয়ের সমন্বয়ে তৈরি হয় এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

Keari Sindbad tourist cruise ship sailing through turquoise waters of Bay of Bengal
বঙ্গোপসাগরের নীল জল চিরে সেন্ট মার্টিনের দিকে এগিয়ে চলেছে বিখ্যাত ক্রুজ জাহাজ কেয়ারী সিন্দবাদ।সমুদ্র ক্রুজ
1

ঢাকা থেকে টেকনাফ / কক্সবাজার

ঢাকা থেকে সরাসরি এসি/নন-এসি বাসে টেকনাফ (প্রায় ১০–১১ ঘণ্টা) অথবা বিমানে কক্সবাজার নেমে মনোরম মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে ২.৫ ঘণ্টায় টেকনাফ দমদমিয়া ঘাটে পৌঁছানো যায়।

সড়কপথে ভ্রমণ
2

টেকনাফ দমদমিয়া জেটিঘাট

সকাল ৮:৩০ এর মধ্যে দমদমিয়া জেটিঘাটে পৌঁছাতে হবে। এখান থেকে পর্যটকবাহী জাহাজগুলো সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ ও যাচাইয়ের জন্য টিকিট সঙ্গে রাখুন।

ঘাট রিপোর্ট (সকাল ৯:০০ টায় যাত্রা)
3

নাফ নদী ও সমুদ্র যাত্রা

প্রথম এক ঘণ্টা নাফ নদী ধরে যাত্রা—বামে মায়ানমারের সবুজ পাহাড়। এরপর নদী যখন সাগরে মেশে, তখন শত শত গাঙচিল জাহাজকে ঘিরে উড়ে চলে।

২.৫ ঘণ্টার সমুদ্র যাত্রা
4

সেন্ট মার্টিন জেটিতে আগমন

দুপুর ১২টার দিকে জাহাজ মূল জেটিতে নোঙর করে। সেখান থেকে স্থানীয় ভ্যান বা ইকো-টমটমে সহজেই আপনার বিচ রিসোর্টে পৌঁছে যেতে পারেন।

প্রবাল স্বর্গে স্বাগতম
প্রাকৃতিক বিস্ময়

জীবন্ত প্রবাল প্রাচীর ও ছেঁড়াদ্বীপের রহস্য

Living and fossilized coral rocks with clustered sea shells and mollusks on Chera Dwip
ছেঁড়াদ্বীপের স্বচ্ছ সৈকতে হাজার বছরের জীবাশ্ম প্রবাল পাথর ও শামুক-ঝিনুকের সারি।প্রবাল ভূতত্ত্ব

বাংলাদেশের একমাত্র জীবন্ত প্রবাল অভয়ারণ্য

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে প্রবাল কলোনি, পাললিক শিলা ও প্রাচীন জীবাশ্মের ওপর। সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীরা এখানে ৬৬ প্রজাতিরও বেশি প্রবাল, শত শত জাতের সামুদ্রিক মাছ এবং বিরল অলিভ রিডলি সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রজনন ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছেন।

দ্বীপের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত 'ছেঁড়াদ্বীপ' (ছেঁড়া দ্বীপ), যা উচ্চ জোয়ারের সময় মূল দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভাটার সময় পানি নেমে গেলে পায়ে হেঁটে বা ছোট ট্রলারে গিয়ে স্ফটিকস্বচ্ছ প্রাকৃতিক জলাশয়ে রঙিন প্রবাল ও সামুদ্রিক প্রাণী দেখা যায়।

🌿 পরিবেশ সংরক্ষণ বিধি: সেন্ট মার্টিনের প্রবাল অত্যন্ত সংবেদনশীল। জীবিত প্রবালের ওপর হাঁটা, পাথর বা শামুক-ঝিনুক দ্বীপ থেকে নিয়ে আসা আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সংস্কৃতি ও জনজীবন

নারিকেল জিঞ্জিরার আন্তরিকতা: দ্বীপের শান্ত ও অমায়িক জনজীবন

পর্যটকদের কোলাহলের বাইরে সেন্ট মার্টিনের রয়েছে এক চিরন্তন শান্ত জীবনযাত্রা। দ্বীপের প্রায় ৭,০০০ স্থায়ী বাসিন্দা মূলত মৎস্যজীবী, কৃষক ও নৌচালক। তাদের আন্তরিক আতিথেয়তা ও মুখের মিষ্টি হাসিতে প্রতিটি পর্যটক আপন অনুভব করেন।

Local island children smiling on the coral sand beach, holding a fresh green coconut
সৈকতে দ্বীপের মিষ্টি শিশু ও তাজা সবুজ ডাব — নারিকেল জিঞ্জিরার অপার প্রাচুর্যের প্রতীক।দ্বীপ জীবন
Young island shepherd guiding water buffaloes through the surf along the shoreline
গ্রাম্য প্রশান্তি: পশ্চিমপাড়ার সৈকতে সাগরের পানিতে গা ভাসিয়ে রাখা মহিষের পাল।উপকূলীয় দৃশ্য

মিষ্টি ডাবের ঐতিহ্য

প্রবাল মাটির বিশেষ ফিল্টারিংয়ের কারণে সেন্ট মার্টিনের ডাবের পানি অসাধারণ মিষ্টি ও খনিজসমৃদ্ধ।

সহজ-সরল জীবনের ছন্দ

উত্তরপাড়া ও দক্ষিণপাড়ার মানুষ প্রকৃতির নিয়মে দিন কাটান। রোদে জাল শুকানো, সৈকতে মহিষ চরানো আর শিশুদের খেলাধুলা যেন এক জীবন্ত ছবি।

সুস্বাদু খাবার

সামুদ্রিক খাবারের মহোৎসব: ভোরের তাজা মাছ থেকে সৈকতের বারবিকিউ

সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায় এখানকার তাজা সিফুড না খেলে। সাগর থেকে ধরা মাছ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সরাসরি রান্নায় চলে আসে, যার স্বাদ ও ঘ্রাণ অতুলনীয়।

Enormous freshly caught Coral fish (Koral) in a market basin at Saint Martin harbor
সকালের জেটি ঘাটে জালে ধরা পড়া বিশাল তাজা কোরাল মাছ।ভোরের তাজা মাছ
Platter of sizzling grilled fish BBQ cooked over charcoal with authentic island spices
কাঠকয়লার আগুনে দ্বীপের খাঁটি মসলা ও সরিষার তেলে ঝলসানো সুস্বাদু ফিশ বারবিকিউ।বীচ বারবিকিউ

তাজা সামুদ্রিক মাছের সমাহার

পছন্দমতো মাছ বেছে নিন: লাল কোরাল, রূপচাঁদা, লাল পোয়া, টুনা, গলদা চিংড়ি এবং নরম স্কুইড।

সৈকতে রাতের বারবিকিউ

সন্ধ্যা নামলেই সৈকত জুড়ে জ্বলে ওঠে কয়লার আগুন, ছড়িয়ে পড়ে সুস্বাদু মসলার সুবাস আর মৃদু ঢেউয়ের গর্জন।

ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি ও ভর্তা

খাঁটি লইট্যা ও ছুরি শুঁটকি ভর্তা, চিংড়ি ভর্তা এবং গরম ভাতের সাথে নারিকেলের মালাইকারী দ্বীপের অনন্য আকর্ষণ।

অবিস্মরণীয় মুহূর্ত

সূর্যাস্তের হাঁটা, সৈকতে ঘোড়ায় চড়া ও সমুদ্রের মায়াবী রূপ

Horseback riding along the wet sandy beach at sunset carrying the Bangladesh flag
গোধূলির আলোয় পশ্চিম সৈকতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা হাতে ঘোড়ার পিঠে ছুটে চলা।বীচ অ্যাডভেঞ্চার

সেন্ট মার্টিনের সেরা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা

  • সৈকতে সাইকেল অভিযান: মূল বাজার থেকে সাইকেল ভাড়া নিয়ে পুরো দ্বীপের সীমানা ২ ঘণ্টার মধ্যে ঘুরে আসা যায়।
  • ঘোড়ায় চড়ে সূর্যাস্ত দর্শন: ভাটার সময় পশ্চিম সৈকতে ঘোড়ার পিঠে চড়ে নাটকীয় রক্তিম সূর্যাস্ত উপভোগ করা।
  • স্নরকেলিং ও প্রবাল দর্শন: ছেঁড়াদ্বীপের অগভীর স্বচ্ছ পানিতে রঙিন মাছ ও জীবন্ত প্রবাল কাছ থেকে দেখা।
  • তারকাখচিত রাত ও বায়োলুমিনেসেন্স: শহরের কোলাহলমুক্ত আকাশে ছায়াপথ দেখা এবং সৈকতে নীলচে আলো ছড়ানো প্লাঙ্কটন দর্শন।
Breathtaking sunset over the Bay of Bengal horizon behind traditional bamboo fishing stakes in Saint Martin
“সেন্ট মার্টিনের দিগন্তে যখন সূর্য ডোবে, তখন সাগরের প্রতিটি ঢেউয়ে যেন অসীমের প্রতিচ্ছবি ধরা পড়ে।”
— পশ্চিম সৈকত, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
দায়িত্বশীল পর্যটন

পরিবেশ সুরক্ষা বিধি, সেরা সময় ও প্রয়োজনীয় ভ্রমণ টিপস

সেন্ট মার্টিন ইকো-ট্যুরিজম কোড

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করুন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ
  • ✔প্রবাল বা শামুক-ঝিনুক সংগ্রহ করবেন না: সৈকত বা প্রবাল প্রাচীর থেকে কোনো কিছু সংগ্রহ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও ক্ষতিকর।
  • ✔প্লাস্টিক বর্জ্য সম্পূর্ণরূপে পরিহার করুন: সাথে রি-ইউজেবল পানির বোতল রাখুন এবং সমস্ত প্লাস্টিক বর্জ্য মূল ভূখণ্ডে ফেরত আনুন।
  • ✔কচ্ছপের প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষা করুন: রাতে দক্ষিণ সৈকতে আলো ও শব্দ কম রাখুন যাতে অলিভ রিডলি কচ্ছপ নিরাপদে ডিম পাড়তে পারে।
  • ✔স্থানীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখুন: স্থানীয় মানুষের থেকে ডাব, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প ও খাবার কিনে তাদের জীবনযাত্রাকে সহায়তা করুন।

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস শান্ত সমুদ্র ও পরিষ্কার আকাশ নিয়ে ভ্রমণের জন্য আদর্শ। বর্ষাকালে (মে থেকে সেপ্টেম্বর) সমুদ্র উত্তাল থাকায় জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকে।

বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক

দ্বীপে সৌরবিদ্যুৎ ও স্থানীয় জেনারেটর ব্যবহার করা হয়। ভালো রিসোর্টগুলোতে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ থাকে। গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের ভালো ৪জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়।

নগদ টাকা ও ভ্রমণের প্রস্তুতি

দ্বীপে এটিএম বুথ মাঝে মাঝে খালি থাকতে পারে, তাই পর্যাপ্ত নগদ টাকা সাথে রাখুন। রোদচশমা, সানস্ক্রিন, পাওয়ার ব্যাংক ও ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ সাথে রাখুন।

আপনি কি সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে প্রস্তুত?

ভ্রমণ বিলাসের সাথে হোক আপনার ঝামেলাহীন ভ্রমণ। জাহাজের টিকিট, আকর্ষণীয় বিচ রিসোর্ট কিংবা সম্পূর্ণ কাস্টমাইজড ভ্রমণ প্যাকেজ—আমরা আছি আপনার পাশে।

ভ্রমণ বিলাস অ্যাপ

আপনার সর্বাঙ্গীন ট্রাভেল অ্যাপ

কয়েক ট্যাপেই বুক করুন পছন্দের রিসোর্ট, ট্যুর প্যাকেজ ও জাহাজের টিকিট। রিয়েল-টাইম শিডিউল আপডেট ও ভ্রমণ তথ্য পান সরাসরি ফোনে।

২৪x৭ হেল্প ডেস্ক

আমাদের ট্রাভেল এক্সপার্টরা সবসময় প্রস্তুত আপনার যেকোনো সহায়তায়।

Hand holding a phone in front of a sunset sea view

বিশ্বস্ত পেমেন্ট

বিকাশ, নগদ, ভিসা বা মাস্টারকার্ডে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত পেমেন্ট।

অ্যাপ ডাউনলোড করুন